বৃহস্পতিবার, ২১-জুন ২০১৮, ১০:১২ পূর্বাহ্ন
  • এক্সক্লুসিভ
  • »
  • দীর্ঘ সেশনজটের আশঙ্কায় অধিভুক্ত ৭ কলেজের শিক্ষার্থীরা

দীর্ঘ সেশনজটের আশঙ্কায় অধিভুক্ত ৭ কলেজের শিক্ষার্থীরা

sheershanews24.com

প্রকাশ : ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮ ১১:৫০ অপরাহ্ন

মো. ইলিয়াস, ঢাকা: রাজধানীর সরকারি ৭ কলেজকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত করা হয়েছে এক বছর আগে। কিন্তু অধিভুক্ত করা নিয়ে যে সংকট তৈরি হয়েছে তা এখন পর্যন্ত সমাধান হয়নি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরিণ কোন্দলের কারণেই এই সংকট দূর হচ্ছে না বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। সূত্র বলছে, এ নিয়ে ঢাবি ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় একে অপরের ওপর দায় চাপিয়ে নিজেদের দোষ এড়ানোর চেষ্টা করছে। তবে সরকারের অপরিকল্পিত সিদ্ধান্ত ও সংশ্লিষ্ট দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বহীনতাকেই দায়ী করছেন ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীসহ ৭ কলেজের শিক্ষকরা। একটি সূত্র বলছে,  এ নিয়ে সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ও অধিভুক্ত কলেজগুলো বাতিলের দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষার্থীর বিক্ষোভ পরিস্থিতিকে আরো জটিল করে তুলেছে। কিন্তু সমস্যা সমাধানে কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ নেই। ফলে লাখ লাখ শিক্ষার্থীর জীবন হয়ে পড়েছে গন্তব্যহীন। দীর্ঘ সেশনজটের আশঙ্কা করছেন শিক্ষার্থীরা।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের পরপরই রাজধানীর সরকারি ৭ কলেজকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে নিতে উঠে পড়ে লাগে ঢাবি কর্তৃপক্ষ। তৎকালীন ঢাবির ভিসি আ আ স ম আরেফিন সিদ্দিক দায়িত্বে থাকাকালীন সময়ে সরকারি ৭ কলেজকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত করা হয়। জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে একজন এমপি এ নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর কাছ থেকে বিবৃতি দাবি করলেও আজও কোনো বিবৃতি দেননি তিনি। এদিকে সেশন জটের ফাঁদে পড়ায় অনার্স পরীক্ষার সূচি ও ফল প্রকাশসহ বেশ কিছু দাবি নিয়ে আন্দোলনে সিদ্দিকুরের চোখ নষ্ট হওয়া ছাড়াও বিভিন্ন সময়ে অনেক অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটে। তারপরও এ নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বা সরকারের পক্ষ থেকে সমাধানের কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। এর মধ্যে ঢাবির ভিসি পরিবর্তন হয়েছেন। কিন্তু অধিভুক্ত ৭ কলেজের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম হতাশা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা বলছেন, ‘জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এরই মধ্যে অনার্স শেষ বর্ষের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করেছে। কিন্তু আমাদের ফলাফল কবে পাবো তার কোনো খবর নেই।’ ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীরা আরও বলছেন, লেখা-পড়ার গুণগত মান নিশ্চিত, সেশনজট কমানোসহ যে সকল সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে সরকারি ৭ কলেজকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত করা হয়েছে তাতে কাজের কাজ কিছুই হয়নি। বরং একে কেন্দ্র করে শুধু অসংখ্য অপ্রীতিকর ঘটনাই ঘটেছে। আর ৭ কলেজের শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি ছাড়া আর কিছুই দিতে পারেনি ঢাবি। ঢাবি যে কারণ দেখিয়ে কলেজগুলো নিয়েছে তাতো সম্পূর্ণ ব্যর্থই রয়ে গেলো। ঢাবির পক্ষে কি আদৌ সম্ভব এ সমস্যার সমাধান- সে প্রশ্নও তুলেছেন শিক্ষার্থীদের  কেউ কেউ। তারা বলছেন, শিক্ষার্থীদের কী দোষ? তাদের কেন চোখ হারাতে হচ্ছে, লাঞ্ছিত হতে হচ্ছে? এর জবাব কি কেউ দেয়ার মতো নেই? কাউকেই তো এর সমাধানে এগিয়ে আসতে দেখা যাচ্ছে না।
সূত্র বলছে, অধিভুক্ত হওয়ার আগে এই ৭ কলেজের যেসব পরীক্ষা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় নিয়েছিল নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সেগুলোর ফলও প্রকাশ করতে পারেনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। এমনকি একাডেমিক কার্যক্রমও স্থগিত হয়ে পড়েছে। দেখা দিয়েছে দীর্ঘ সেশনজট। ঠিক সময়ে ফল প্রকাশ না হওয়ায় চাকরির আবেদন করতে পারছে না শিক্ষার্থীরা। তাই বাধ্য হয়ে তারা আন্দোলনে নামেন। কিন্তু তাদেরও কোনো সুফল আসেনি। শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন, তাদের এ ক্ষতি পোষাবেন কীভাবে?
ঢাবি সূত্র বলছে, গত বছরের ১৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত হয় সরকারি ৭ কলেজ। এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হচ্ছে- ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল কলেজ, বদরুন্নেছা মহিলা কলেজ, মিরপুর বাঙলা কলেজ ও তিতুমীর কলেজ।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবহেলা ও অনীহার কারণেই তারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এর দায় সম্পূর্ণভাবে দুই বিশ্ববিদ্যালয়কেই নিতে হবে।
ঢাকা বিশ্বদ্যিালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আ আ স ম আরেফিন সিদ্দিক বলেছেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আদেশ জারি হয়েছে এ ব্যাপারে। ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী সকল সরকারি কলেজগুলোকে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে নেয়ার কথা বলেছিলেন। তার প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবেই ২০১৭ সালে ঢাবির অধীনে সাতটি কলেজকে দেয়া হয়। আমরা ভালোভাবেই কার্যক্রম শুরু করেছিলাম। কিন্তু জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অসহযোগিতার কারণে এর সুফল নিয়ে আসা সম্ভব হয়নি। পূর্ব প্রস্তুতি ছাড়া অপরিকল্পিতভাবে এই কলেজগুলোকে অধিভুক্ত করা হয়েছিল কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে ঢাবির সাবেক ভিসি বলেন, পরিকল্পিতভাবেই এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। তবে সব পক্ষের সহযোগিতা ও সমন্বয় না থাকায় জটিলতা তৈরি হয়েছে। আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, চতুর্থ বর্ষের রেজাল্ট জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের তৈরি রাখার কথা ছিল সেটি তারা দিতে বিলম্ব করেছে বলেই আমরা রেজাল্ট দিতে পারিনি। ঢাবিতে বর্তমানে যারা দায়িত্বে আছেন, তাদের সদিচ্ছা থাকলেও দ্রুতই সংকট সমাধান করা সম্ভব বলেও মনে করেন তিনি।
এ বিষয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. হারুন অর রশিদ বলেছেন, আমরা শুরু থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে এ ব্যাপারে সহযোগিতা করছি। এখন তারা যদি এই প্রতিষ্ঠানগুলোকে চালাতে না পারে তাহলে এটা তাদের ব্যর্থতা। এখানে আমাদের কোনো হাত নেই। আমরা এই কলেজগুলোকে দিতে চাইনি। আমাদের কাছে থেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তারা যখন নিয়েছিলো তখন তারা বলেছেন- চালাতে পারবেন। এখন ছাত্রদের শিক্ষাবর্ষ নষ্ট করছে। এর দায়ভার তাদেরই নিতে হবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ মোয়াজ্জেম হোসেন মোল্লা বলেন, ঢাকা কলেজসহ ৭ কলেজকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে দেয়া সরকারের একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত। এর জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমরা কৃতজ্ঞ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় একটি উচ্চ মানসম্মত প্রতিষ্ঠান। বর্তমান সংকট সম্পর্কে মোয়াজ্জেম হোসেন মোল্লা বলেন, যেকোনো কিছু নতুনভাবে করতে গেলে কিছুটা সমস্যার সৃষ্টি হয়। বর্তমান সংকটটিও এই রকম সমস্যা। তবে খুব দ্রুতই এই সংকটের সমাধান হবে- এটাই প্রত্যাশা করছি। এই সংকটের পেছনে ঢাবির কোনো হাত নেই। এটা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অসহযোগিতা বলেও মনে করেন তিনি।
তিতুমীর কলেজের প্রফেসর মুহাম্মদ ইনামুল হক খান বলেন, অধিভুক্ত ৭ কলেজকে নিয়ে যে সংকট চলছে তা কোনোভাবেই কাম্য নয়। অনেক ভোগান্তি হচ্ছে আমরা এর দ্রুত সমাধান চাই। আমাদের ছাত্র ছিদ্দিক দুটো চোখ হারালো আর কত ছিদ্দিককে ঘটনার শিকার হতে হবে? তিনি বলেন, অধিভুক্ত করার উদ্যোগটা ভালো ছিল। কিন্তু যেভাবে কার্যক্রম করা দরকার, তা করতে পারেনি ঢাবি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যে জনবল দরকার তা তাদের নেই। তাছাড়া ৭ কলেজের ২ লাখ শিক্ষার্থী নিয়ে ভাবার মতো জনবল তাদের নেই। ৭ কলেজের জন্য ভিন্ন কর্মকাঠামো তৈরি করতে পারলে এর দ্রুত সমাধান করা সম্ভব বলেও মনে করেন তিনি।
ঢাকা কলেজের শিক্ষক আব্দুল কুদ্দুস অধিভুক্ত এ সংকট প্রসঙ্গে বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়া আবেগে এই কলেজগুলোকে নিয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এভাবে এ কলেজগুলো নিতে পারে না। এই সংকটের জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উভয়ই দায়ী বলে মনে করেন তিনি। তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনার অভাব এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতার অভাব। ঢাবি যেভাবে সাত কলেজ নিয়ে কার্যক্রম চালাচ্ছে তাতে সাত কলেজের শিক্ষকরাও অসন্তুষ্ট। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষক এখনো চায় না এই কলেজগুলো তাদের অধিভুক্ত থাকুক।
বাঙলা কলেজের অধ্যক্ষ ইমাম হোসাইন বলেন, পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাজধানীর সরকারি ৭ কলেজ নিয়েছে। তাদের যে পরিমাণ জনবল দরকার তা তাদেরই নেই। কিন্তু ৭ কলেজের ২ লাখেরও বেশি শিক্ষার্থী রয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনবল কম থাকার কারণেই সংকট দেখা দিয়েয়েছে বলে মনে করেন তিনি।
সোহরাওয়ার্দী কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল কুদ্দুস বলেন, অধিভুক্ত ৭ কলেজের সংকট খুব তাড়াতাড়ি সমাধান হয়ে যাবে। এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় গেলেতো একটু সময় লাগবেই। এখন পরীক্ষার সময় দিয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে আমাদের মিটিং হয়েছে দ্রুত সমাধানের কাজ চলছে।  
এমফিল গবেষক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাইফুল্লাহ সাদেক বলেন, পৃথিবীর বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন কলেজ থাকে। যেমন হার্ভার্ড, অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনেক কলেজ পরিচালিত হয়। সম্প্রতি রাজধানীর ৭টি বড় কলেজ অর্ন্তভুক্ত করা হলো। এটা স্বাভাবিক ব্যাপার হতো যদি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সে কলেজগুলোর ভার নেয়ার মতো যোগ্যতা থাকতো। আমার কথা হলো, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব সকল কাজ করার পর যদি অন্য কলেজ পরিচালনার মতো সুযোগ সুবিধা থাকে তাহলে কোনো সমস্যা নেই। এ বিষয়ে কলেজ অধিভুক্ত করার আগে পূর্ব প্রস্তুতির প্রয়োজন ছিল। কিন্তু এটি একটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ছিল বিধায় তা সম্ভব হয়নি বলে আমি মনে করি। রাষ্ট্রীয় এ সিদ্ধান্তে শিক্ষার পরিবেশ বিঘিœত হচ্ছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মো. মাহবুব আলম বলেন, ছাত্রছাত্রীদের জীবন থেকে যে বছরগুলো শুধু শুধু চলে যাচ্ছে তা শোধরাতে পারবে কি ঢাবি কর্তৃপক্ষ? শিক্ষামন্ত্রীরও উচিত এদিকে নজর দেয়া, লাখ লাখ ছাত্রছাত্রীর শিক্ষা জীবন থেকে এভাবে বছরের পর বছর চলে যাচ্ছে। চাকরির জন্য আবেদনও করতে পারছে না। এটা দুঃখজনক ও কর্তৃপক্ষের খামখেয়ালিপনা।
ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী কামরুল ইসলাম বলেন, আজ কতদিন হয়ে গেলো ঢাকায় বসে বসে খাচ্ছি। আমরা মাত্র কদিন আগে তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষা শেষ করলাম। কিন্তু জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে আমাদের সেশনের শিক্ষার্থীদের চতুর্থ বর্ষের পরীক্ষার রুটিন দিয়ে দিছে। এ সকল কথা শুনলে বাড়ি থেকে আমার টাকা পয়সা পাঠানো বন্ধ করে দিবে।
বাঙলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী জিল্লুর রহমান বলেন, সরকার এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্পূর্ণ চিন্তা ও পরিকল্পনার বাহিরে এই সাত কলেজ। যার কারণে আজ লাখ লাখ শিক্ষার্থীর জীবন পরিকল্পনাহীন ও গন্তব্যহীন। পৃথিবীতে এমন কোনো দেশ নেই যে দেশে পরীক্ষা নেয়ার জন্য আন্দোলন করতে হয় এবং পরীক্ষা নেয়ার পর রেজাল্টের জন্য আন্দোলন করতে হয়।
শীর্ষনিউজ/এইচএস