শনিবার, ২৩-জুন ২০১৮, ০১:১২ পূর্বাহ্ন
  • অপরাধ
  • »
  • রনির গাড়িচালকের খোঁজে পুলিশ, ২ তরুণী ঢামেকে

রনির গাড়িচালকের খোঁজে পুলিশ, ২ তরুণী ঢামেকে

sheershanews24.com

প্রকাশ : ১১ জুন, ২০১৮ ০৪:৫৭ অপরাহ্ন

শীষৃনিউজ, ঢাকা: রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এক তরুণীকে প্রাইভেটকারে তুলে ধর্ষণকালে আটক মাহমুদুল হক রনির গাড়িচালক ফারুককে খুঁজে বের করতে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।
এদিকে, রনিকে আদালতে তুলে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে আদালত ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।
ভুক্তভোগী তরুণী ও তার বান্ধবীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে।
সোমবার দুপুরে শেরেবাংলা নগর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, মামলা হওয়ার পর থেকেই রনির গাড়িচালক ফারুককে ধরতে আমরা অভিযান শুরু করেছি। কিন্তু তাকে এখন পর্যন্ত গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।
আবুল কালাম আরো বলেন, সকালেই অভিযুক্ত রনিকে আদালতে পাঠিয়ে তার সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। আর ভুক্তভোগী দুই তরুণীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে রোববার রাতে শেরেবাংলা নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জি জি বিশ্বাস গণমাধ্যমকে বলেন, ভুক্তভোগী তরুণী ও তার বান্ধবীকে খুঁজে পাওয়া গেছে। ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত জানতে তাদের জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে।
তিনি জানান, ভুক্তভোগী তরুণী রনির বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে বিকেলে মামলা করেন। মামলায় রনির বিরুদ্ধে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগ এবং তার গাড়িচালক ফারুকের বিরুদ্ধে ধর্ষণে সহায়তার অভিযোগ করেন তিনি।
এর আগে ৯ জুন শনিবার গভীর রাতে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে ওই তরুণীকে জোর করে গাড়িতে তুলে ধর্ষণের সময় অভিযোগে রনি ও তার গাড়িচালককে গণপিটুনি দেওয়া হয়। গণপিটুনির একপর্যায়ে ঘটনাস্থল থেকে চালক ফারুক পালিয়ে গেলেও রনিকে শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়।
শনিবার গভীর রাতেই ঘটনার দুটি ভিডিও ফেসবুকে পোস্ট করেন প্রত্যক্ষদর্শী রাফি আহমেদ। তিনি পোস্টে জানান, অফিস থেকে ফেরার সময় মোহাম্মদপুর কলেজগেট সিগন্যালে তার সামনে থাকা গাড়িতে একজন ছেলে ও একজন মেয়েকে ধস্তাধস্তি করতে দেখেন। গাড়ির গতিবিধি সন্দেহজনক হওয়ায় তিনি গাড়িটিকে অনুসরণ করেন। যানজটের কারণে গাড়িটি পালানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়।
এ সময় গাড়ির ভেতরে ধস্তাধস্তির ঘটনাটি রাফি আহমেদসহ রাস্তায় থাকা আরও অনেকের নজরে আসে। রাফি আহমেদ তার পোস্টে দাবি করেন, গাড়িটি যানজটে আটকা পড়লে তিনিসহ সাধারণ মানুষ গাড়িটির সামনে গিয়ে দেখেন ছেলেটি মেয়েটিকে ধর্ষণ করছে। গাড়িটির নম্বর ‘ঢাকা মেট্রো - গ ২৯- ৫৪১৪’।
রাস্তা থেকে জোর করে গাড়িতে তুলে ধর্ষণ করা হচ্ছিল বলে ওই তরুণী জানান। পরে উপস্থিত জনতা রনি ও তার গাড়ি চালককে বাইরে বের করে গণপিটুনি দেয়।
শীর্ষনিউজ/এম