রবিবার, ২৩-সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০১:১৩ পূর্বাহ্ন
  • রাজনীতি
  • »
  • সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সাথে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করুন: সেলিম উদ্দিন

সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সাথে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করুন: সেলিম উদ্দিন

Shershanews24.com

প্রকাশ : ১৩ জুন, ২০১৮ ০৮:৪৩ অপরাহ্ন

শীর্ষনিউজ, ঢাকা : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমীর  মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন বলেছেন, জামায়াতে ইসলামী কল্যাণমুখী রাজনীতির পাশাপাশি যেকোন ক্রান্তিকাল ও দুর্যোগপূর্ণ মুহূর্তে গণমানুষের দুর্দশা লাঘবে নিরলসভাবে কাজ করে আসছে। মানুষের কল্যাণের সেই প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবেই আমরা প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর সাথে ঈদের আনন্দকে ভাগাভাগি করার উদ্যোগ নিয়েছি। তিনি সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে সমাজের সক্ষম ও বিত্তবান মানুষের প্রতি আহবান জানান।
তিনি আজ রাজধানীর একটি মিলনায়তনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তরের তুরাগ দক্ষিণ থানা আয়োজিত সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে ঈদসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। থানা আমীর মেজবাহ উদ্দীন নাঈমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগরী উত্তরের কর্মপরিষদ সদস্য ইবনে কারীম আহমদ মিঠু। আরও উপস্থিত শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি মাওলানা মুহিব্বুল্লাহ, তুরাগ উত্তর থানা আমীর শাহেদুর রহমান মোল্লা, সেক্রেটারি মাহবুব আলম, জামায়াত নেতা সাইফুর রহমান ও আতিকুর রহমান প্রমূখ।
সেলিম উদ্দিন বলেন, ঈদ মানেই আনন্দ। তাই এই আনন্দঘন মুহূর্ত সবার জন্যই সমান ও অবারিত হওয়া উচিত। কিন্তু আমাদের দেশে অর্থ-বিত্ত ও সামর্থের ভিন্নতার কারণেই ঈদের আনন্দ সবার জন্যই সমান্তরাল হয় না বরং শ্রেণি বিশেষে ভিন্নতা দেখা দেয়। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি গণমুখী ও কল্যাণকামী সংগঠন হিসেবে ধনী ও দরিদ্রের বৈষম্য সীমিত পরিসরে রাখার জন্য অর্ধশতাব্দীর অধিককাল আগে থেকেই আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে একটি ন্যায়-ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার আন্দোলন করে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, মূলত দেশে ন্যায়-ইনসাফের সমাজ প্রতিষ্ঠিত না থাকায় মানুষের সমস্যা বেড়েছে। যারা গণমানুষের কল্যাণে ন্যায়-ইনসাফভিত্তিক কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে আসছিলেন মহল বিশেষ তাদেরকে বিশেষভাবে টার্গেট করে নির্মমভাবে হত্যা করেছে এবং অনেককেই কারারুদ্ধ করে জুলুম-নির্যাতন চালানো হচ্ছে। অশীতিপর বৃদ্ধ ও প্রবীণ রাজনীতিক আমীরে জামায়াত মকবুল আহমাদও সে প্রতিহিংসা ও জিঘাংসা থেকে রেহাই পাননি। মূলত পরিকল্পিতভাবেই এসব জাতীয় নেতাদের হত্যা করে তাদের যোগ্যতর খেদমত থেকে দেশ ও জাতিকে বঞ্চিত করেছে। তিনি সরকারকে নিগ্রহের পথ পরিহার করে ঈদের আগেই আমীরে জামায়াত মকবুল আহমদ সহ সকল রাজবন্দীর নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেন।
শীর্ষনিউজ/বিজ্ঞপ্তি/ওআর